বিচারপতি কারাননের দন্ড শিথিল করতে রাজি হয়নি সুপ্রিম কোর্ট

বিচারপতি কারাননের দন্ড শিথিল করতে রাজি হয়নি সুপ্রিম কোর্ট

এসএএম স্টাফ,
শেয়ার করুন

ভারতের সুপ্রিম কোর্ট শুক্রবার বিচারপতি সি.এস. কারনানের আদালত অবমাননার অভিযোগে দেয়া ছয় মাসের শাস্তি স্থগিতের আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে।

ভারতের প্রধান বিচারপতি জে.এস. খেহারসহ বেঞ্চের সব বিচারপতি সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত জানান। আদালত বিচারপতি কারনানের মামলায় সুপ্রিম কোর্টের সাতজন বিচারপতি সর্বসম্মতিক্রমে ৯ মে আগের রায় দিয়েছে বলেও উল্লেখ করেন।

বিচারপতি কারনানের পক্ষে অ্যাডভোকেট ম্যাথিউস নেডুমাপার সুপ্রিম কোর্টের এই বেঞ্চের সামনে হাজির হয়ে বলেন যে, ১৯৭১ সালের কনটেম্পট অফ কোর্টস অ্যাক্টের অধীনে একটি বিধান আছে, যে বিধান অনুসারে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পরও অভিযুক্ত নি:শর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করতে পারেন।

ম্যাথিউস নেডুমাপার জানান, তিনি সুপ্রিম কোর্ট রেজিস্ট্রি বিভাগে এ আবেদন দাখিল করতে না পেরে বেঞ্চের সামনে সরাসরি আসেন। কোন অ্যাডভোকেট অন রেকর্ড এই মামলা নিতে রাজি হননি।

তিন তালাক মামলার শুনানি মূলতবী হবার প্রাক্কালে প্রধান বিচারপতি খেহার এই আইনজীবীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “এটা কি? আপনি এখানে সকালে, বিকালে এবং সন্ধায় আসছেন … রেজিস্ট্রি বিভাগে যান এবং যা আপনি চান ফাইল করুন । আপনি গত ১১ ই মে তারিখে পিটিশনটি সরাসরি আমাদের কাছে দেন এবং এখন আপনি আরও কাগজপত্র জমা দিতে চান? ”

আইনজীবী ১১ই মে বিচারপতি কারনানকে কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে রি-কল আবেদনসহ একটি রিট পিটিশন পেশ করেন। তিনি জানান,  বিচারপতি কারনানের প্রতিনিধিত্ব করছেন তিনি এবং চেন্নাই থেকে তার স্বাক্ষর সংগ্রহ করেছেন।

তার আবেদনে বিচারপতি কারনান দাবি করেন যে, তিনি প্রধান বিচারপতি বা সাতজন বিচারপতির বেঞ্চের শাস্তিমূলক অধিক্ষেত্রের অধীনে ছিলেন না এবং তিনি কেবল রাষ্ট্রপতির আদেশে অভিযুক্ত হতে পারেন।

উল্লেখ্য, কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি কারনান তার বাসভবনে আদালত বসিয়ে ভারতের প্রধান বিচারপতিসহ সুপ্রিম কোর্টের ৮ বিচারপতিকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ঘোষণা করেন। এর আগেই অবশ্য সুপ্রিম কোর্ট কারনানের সব ধরনের আদেশ বা রায় কার্যকর-অযোগ্য ঘোষণা করেন।

print
SOURCE দি হিন্দু
শেয়ার করুন