সম্মিলিততভাবে আলোচনায় অংশ নেবে মিয়ানমারের ওয়া নেতৃত্বাধিন জোট

সম্মিলিততভাবে আলোচনায় অংশ নেবে মিয়ানমারের ওয়া নেতৃত্বাধিন জোট

এসএএম স্টাফ,
শেয়ার করুন

মিয়ানমারের উত্তরপূর্বাঞ্চলে ইউনাইটেড ওয়া স্টেট আর্মি (ইউডব্লিউএসএ)’র নেতৃত্বাধিন সাতটি জাতিগত সশস্ত্র গ্রুপের সদস্যরা সরকারের সাথে আলাদাভাবে শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে অস্বীকার করেছে। তারা শুধু জোটগতভাবে শান্তি আলোচকদের সঙ্গে বৈঠকে বসবে বলে কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছে।

জোটের সদস্য তাং ন্যাশনার লিবারেশন আর্মি (টিএসএলএ)’র ভাইস-চেয়ারম্যান টার জোদ জার জানান, গত সপ্তাহে চীনা কর্মকর্তাদের মাধ্যমে সরকারের শান্তি কমিশন জোটকে আলোচনায় বসার আমন্ত্রণ জানায়। তবে, সরকারের শান্তি আলোচকরা সাংবাদিকদের জানান যে জোটের সঙ্গে আলোচনায় বসার সম্ভাবনা কম।

টার জোদ জার সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসলে জোটগতভাবেই বসবো।’ এই সাত-দলীয় জোটে সম্প্রতি কাচিন ইন্ডিপেনডেন্ট আর্মি (কেআইএ) ও আরাকান আর্মি (এএ) যোগ দিয়েছে।

সরকার জোটের প্রস্তাবে রাজি হলে চলতি সপ্তাহের শেষের দিকে মিয়ানমার চীন সীমান্তের কোন স্থানে এই আলোচনা হতে পারে বলে টার জোদ জার জানান।
সরকারের শান্তি কমিশনের সদস্য ও এমপি উ অং সোয়ে অবশ্য বলেছেন, সরকার উত্তরাঞ্চলের তিনটি গ্রুপ টিএনএলএ, এএ ও মিয়ানমার ন্যাশনাল ডেমক্রেটিক এলায়েন্স (এমএনডিএএ)’র সঙ্গে একত্রে আলোচনা করবে। বাকিদের সঙ্গে আলাদাভাবে আলোচনা করা হবে।

গত এপ্রিলে ওয়া স্ব-শাসিত ভূখণ্ডে জোটের সাতটি দলের মধ্যে চুক্তি হয়। এই চুক্তিতে সরকারের দেশব্যাপী যুদ্ধবিরতি চুক্তি (এনসিএ)’র নিন্দা জানানো হয়েছে।

২০১৫ সালের অক্টোবরে আটটি সশস্ত্র গ্রুপ এনসিএ স্বাক্ষর করে। সরকার এভাবে শান্তি আলোচনা এগিয়ে নিতে চাইছে। তবে, বেশিরভাগ বড় সশস্ত্র গ্রুপ এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেনি। তারা জাতীয় সমঝোতার জন্য বিকল্প প্রস্তাব হাজির করে।

শান্তি প্রক্রিয়ার পর্যবেক্ষকরা এনসিএ পর্যালোচনার প্রয়োজন বলে মনে করে। অন্যদিকে, আনুষ্ঠানিক আলোচনা বসার আগে পর্যাপ্ত অনানুষ্ঠানিক আলোচনা হচ্ছে না বলেও সমালোচনা রয়েছে।

গত মাসে অনুষ্ঠিত একবিংশ শতকের পাংলং শান্তি সম্মেলনে স্টেট কাউন্সিলন অং সাং সুচি ওয়া-নেতৃত্বাধিন জোটের শরিক দলগুলোর সঙ্গে আলাদাভাবে বৈঠক করেন।

চীনা মধ্যস্থতাকারীদের উদ্যোগে শেষ মুহূর্তে সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ওয়া জোটের সাতটি দল যোগ দেয়।

print
SOURCEইরাবতি
শেয়ার করুন