নারীদের কর্মশক্তিতে প্রবেশের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে মিয়ানমারকে

নারীদের কর্মশক্তিতে প্রবেশের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে মিয়ানমারকে

এসএএম স্টাফ,
শেয়ার করুন

অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সৃষ্টি করার জন্য মিয়ানমারের প্রয়োজন নারীদের সম্ভাবনা কাজে লাগানো এবং তাদেরকে শ্রমবাজারে প্রবেশে সামর্থ্যপূর্ণ করে তোলা।

জাতিসঙ্ঘ জনসংখ্যা তহবিল বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানিয়েছে।

জাতিসঙ্ঘ ২০১৪ সালের মিয়ানমার আদম ও গৃহশুমারির তথ্যের আলোকে এই মন্তব্য করেছে। তাতে শ্রমশক্তিতে নারী ও পুরুষের অবস্থান চিহ্নিত করা হয়েছে।

মিয়ানমারের জনসংখ্যায় নারী ও পুরুষের সংখ্যা প্রায় সমান হলেও মাত্র ৫০.৫ ভাগ নারী কাজ করে থাকে, অন্যদিকে পুরুষদের ৮৫.৬ ভাগ কাজে নিয়োজিত।

ইউএনএফপিএ মনে করছে, মিয়ানমারের উন্নয়নের জন্য নারীরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তারা মিয়ানমারের ভবিষ্যৎ সমৃদ্ধির জন্য বিশেষভাবে প্রয়োজনীয়।

সংস্থাটি জোর দিয়ে বলে, নারীরা বেশি করে চাকরি বাজারে প্রবেশ করলে মিয়ানমারের জাতীয় মাথাপিছু আয় ব্যাপকভাবে বেড়ে যাবে।

মিয়ানমারে নিযুক্ত ইউএনএফপিএ প্রতিনিধি জ্যানেট জ্যাকসন বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে বলেন, চাকরি সৃষ্টি করা হলে জেন্ডার বিভক্তি দ্রুততার সাথে অবসান ঘটবে। তবে এটা করার জন্য নারীদের দরকার সমান শিক্ষা, চাকরি, ঋণ, ভূমি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী অবস্থান।

তিনি ইরাবতীকে বলেন, কারখানাগুলোতে মোট কর্মশক্তির বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ নারী বলে তার মনে হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, অভ্যন্তরীণ এবং আন্তর্জাতিকভাবে অভিবাসী শ্রমিক হিসেবে আরো বেশি নারী চাকরিতে প্রবেশ করছে।

জাতিসঙ্ঘ সংস্থাটি জানায়, মিয়ানমারে তরুণ বেকাররা নি¤œ শ্রমশক্তি হিসেবে অবদান রাখছে এবং তা আর্থ-সামাজিক মর্যাদা ও শিক্ষার সাথে সম্পর্কের কারণে হচ্ছে।

মিয়ানমারে গ্রাজুয়েট ডিপ্লোমাধারীদের মধ্যে বেকারত্বের হার সবচেয়ে বেশি। এটা শিক্ষাহীনদের চেয়ে পাঁচগুণ বেশি।

আসিয়ান দেশগুলোর মধ্যে মিয়ানমারের শ্রমশক্তি সবচেয়ে কম। ইউএনএফপিএ প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশটির মাত্র ৬৩.৬ ভাগ জনসংখ্যা অর্থনৈতিকভাবে সক্রিয়। অথচ কম্বোডিয়ায় তা ৮০.৯ এবং লাউসে ৭৭.৪ ভাগ।

 

SOURCEইরাবতী
শেয়ার করুন