ভারতের জিএসটিব্যবস্থা ভুটানের প্রতিটি খাতে প্রভাব ফেলবে

ভারতের জিএসটিব্যবস্থা ভুটানের প্রতিটি খাতে প্রভাব ফেলবে

এসএএম স্টাফ,
শেয়ার করুন

ভারত সরকার আগামী ১ জুলাই নতুন পণ্য ও পরিষেবা কর (জিএসটি) ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে। এটা ভুটানে দ্বিমুখী প্রভাব ফেলবে। এতে করে আমদানি আরো সস্তা হবে, তবে রফতানি আগের চেয়ে ব্যয়বহুল হবে।

রফতানি বৃদ্ধি এবং আমদানি কমানোর জন্য ভারত এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এতে দেশটির অভ্যন্তরীণ শিল্প চাঙ্গা হবে। এই ব্যবস্থার আওতায় রফতানির ওপর কোনো কর থাকবে না। তবে আমদানি করতে হলে আন্ত:রাজ্যের সমপরিমাণ কর দিতে হবে।

এর অর্থ হচ্ছে জিএসটিতে ভারতের ১৭টি বিভিন্ন ধরনের করের অন্তর্ভুক্তি করা। ভারতের আন্ত:রাজ্য করের কারণে ভারতের বাজারে ভুটানি পণ্য বেশ সুবিধা পেত। কিন্তু নতুন নিয়মে বিহার যদি কোনো পণ্য পশ্চিমবঙ্গ কিংবা ভুটান যেখান থেকেই আমদানি করুক না কেন তাকে একই হারে কর দিতে হবে।

উল্লেখ্য, ভারতে কেন্দ্রীয় জিএসটি (সিজিএসটি) এবং রাজ্য জিএসটি (এসজিএসটি) আলাদা আলাদাভাবে আরোপ করা হয়।

ভারতের প্রতিষ্ঠান ইমস ট্যাক্সোসার্ভিসের পরামর্শক ন্যাম্যান সিদ্ধার্থ ভুটান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির এক অনুষ্ঠানে এ তথ্য প্রদান করেন।

তিনি বলেন, জিএসটি আসলে ভ্যাটের একটি সংশোধিত সংস্করণ।

ভারতে বর্তমানে সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা হচ্ছে রাজ্যগুলোর মধ্যে থাকা নন-টেরিফ বিধিনিষেধ। তবে ভারত সরকার এখন পণ্যরাজি এক রাজ্যে মাত্র একবার পরীক্ষার ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করতে চাচ্ছে। তাছাড়া ট্রানজিটে কোনো পণ্য যাতে তিন দিনের বেশি আটকা পড়ে না থাকে, তা নিশ্চিত করতে চাইছে। এটা বাস্তবায়ন করা হলে পরিবহন ব্যয় কমে আসবে।

উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ভারতে শুল্কমুক্তভাবে মিনারেল ওয়াটার রফতানি করে ভুটান। এতে করে প্রতিবেশী রাজ্যগুলোর চেয়েও কম দামে ভারতীয়রা ভুটানি মিনারেল ওয়াটার পান করতে পারে। নতুন ব্যবস্থায় ভুটান থেকে এই পানি আমদানি করতে হলে এখন কর দিতে হবে। ফলে বড় ধরনের সমস্যায় পড়বে ভুটান।

SOURCEকুয়েনসেল
শেয়ার করুন