মানব পাচারে ঝুঁকিপূর্ণ দেশের তালিকা থেকে বাদ পড়লো মালদ্বীপ

মানব পাচারে ঝুঁকিপূর্ণ দেশের তালিকা থেকে বাদ পড়লো মালদ্বীপ

এসএএম স্টাফ,
শেয়ার করুন

মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের তৈরি মানব পাচারে  ঝুঁকিপূর্ণ দেশের  তালিকা থেকে মালদ্বীপকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। পাচারকারীদের বিরুদ্ধে  প্রথম মামলায় সফলভাবে তাদের দোষী সাব্যস্ত করার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হলো। প্রসিকিউশনের নিম্ন হার এবং পাশাপাশি   ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য অপর্যাপ্ত ও অসঙ্গত সুরক্ষাব্যবস্থার  কারণে গত দুই বছরে মালদ্বীপ তালিকার ২য় পর্যায়ে ছিল। মানব পাচারে  ঝুঁকিপূর্ণ দেশের  তালিকার তালিকার তৃতীয় পর্যায়ে নেমে গেলে মালদ্বীপ বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞার সম্মুখীন হতে পারতো। পররাষ্ট্র দফতরের ২০১৭ সালের ট্র্যাফিকিং রিপোর্ট অনুযায়ী, সরকার গত বছরের তুলনায় পাচারের বিরুদ্ধে প্রচেষ্টা বৃদ্ধি করে নজরদারি তালিকা থেকে সরে আসতে পেরেছে। তবে সরকার অভ্যন্তরীণ পাচার আইনকে জাতিসংঘের টিআইপি প্রোটোকলের সাথে সমন্বয় করে সব ধরণের যৌন ও শ্রম পাচারকে অপরাধমূলক করার মতো বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে ন্যূনতম মান পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে।

বুধবার টিআইপির প্রতিবেদন প্রকাশের পর, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোহাম্মদ আসিম বলেন, মানব পাচারের বিরুদ্ধে সরকারের নীতির একটি শক্তিশালী তাৎপর্য প্রকাশ পেয়েছে এই তালিকায় খারাপ অবস্থান থেকে বের হতে পারার মাধ্যমে।

প্রায় ১,৩০,০০০ অভিবাসী কর্মী মালদ্বীপে বসবাস করে বলে মনে করা হয়, যাদের মধ্যে ৬০ হাজার অনথিভুক্ত শ্রমিক রয়েছে। এদের অধিকাংশই বাংলাদেশী এবং ভারতীয় পুরুষ যারা নির্মাণ ও পর্যটন খাতে কাজ করে। টিআইপি প্রতিবেদন অনুযায়ী, এর একটি অজানা অংশ  “জালিয়াতি নিয়োগ, প্রতারণা, পরিচয়পত্র এবং ভ্রমণের নথিপত্র জাল, মজুরি বাতিল এবং অর্থ প্রদান এবং ঋণের দাসত্বসহ জোরপূর্বক শ্রমের মত অমানবিক আচরণের শিকার হচ্ছে।”

print