নেপালে দ্বিতীয় দফা নির্বাচন: এনসি-ইউএমএল’র মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই

নেপালে দ্বিতীয় দফা নির্বাচন: এনসি-ইউএমএল’র মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই

এসএএম স্টাফ,
শেয়ার করুন

নেপালে ২৮ জুন অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় দফা স্থানীয় পরিষদ নির্বাচনের প্রাথমিক ফলাফলে ক্ষমতাসীন নেপাল কংগ্রেস (এনসি) ও প্রধান বিরোধী দল কমিউনিস্ট পার্টি অব নেপাল-ইউনাইটেড মাওয়িস্ট লেনিনিস্ট ( সিপিএন-ইউএমএল)’র মধ্যে তীব্র লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। আর ক্ষমতাসীন জোটের শরিক সিপিএন (মাওবাদি কেন্দ্র) প্রথম দফা নির্বাচনের মতো এবারও অনেক কম আসন পেয়ে তৃতীয় অবস্থানে থাকছে।

ভোট গণনার প্রথম দিনের (২৯ জুন)’র ফলাফলে দেখা যায় নেপাল লোকতান্ত্রিক ফোরাম (এনএলএফ), ফেডারেল সোসিয়ালিস্ট ফোরাম নেপাল (এফএসএফএন), নয়া শক্তি নেপাল (এনএসএন) ও রাষ্ট্রীয় প্রজাতন্ত্র পার্টি (আরপিপি)’র মতো প্রান্তিক দলগুলো পূর্ব ও পশ্চিম তেরাই অঞ্চলে কিছুটা ভালো ফল করেছে।

দ্বিতীয় দফায় ৩৩৪টি স্থানীয় পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ১৫,০৩৮টি পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ৬২,৪০৮ জন প্রার্থী।

বৃহস্পতিবার (২৯) রাত পর্যন্ত ভোট গণনায় দেখা যায়, ৩০৭টি পরিষদে এনসি ও ইউএমএল’র মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলছে। দুই দলের জয়যাত্রা শুরু হয় যথাক্রমে কাদা রুরাল মিউনিসিপ্যালিটি ও মাসতা রুরাল মিউনিসিপ্যালিটিতে নিজ নিজ প্রার্থীর বিজয়ের মধ্য দিয়ে।

বড় বড় শহরগুলো থেকে পাওয়া প্রাথমিক ফলাফলে মিশ্র চিত্র লক্ষ্য করা যায়। তবে, ভোট গণনা এগিয়ে চলার সঙ্গে সঙ্গে এই প্রবণতা বদলে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে, প্রাথমিক প্রবণতা বজায় থাকলে দ্বিতীয় দফা নির্বাচনেও প্রথম দফার মতো মিশ্র ফলাফল দেখা দেখা যাবে।

প্রথম দফায় ইউএমএল ১২৫টি স্থানীয় পরিষদে জয়ী হয়ে প্রথম স্থান দখল করে। অন্যদিকে এনসি ও মাওবাদি কেন্দ্র যথাক্রমে ১০৪ ও ৪৬টি পরিষদে জয়ী হয়। মোট ভোটের ৯০ শতাংশ এই তিনটি প্রধান দলের বাক্সে যায়।

প্রাথমিক ফলাফলে দেখা যায় এনসি’র সম্ভাব্য শক্তঘাঁটিগুলোতে ইউএমএল ভালো করতে যাচ্ছে। যদি এ অবস্থা বজায় থাকে তবে দ্বিতীয় দফা নির্বাচনে এনসি বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। প্রাথমিক ফলাফলে আরো দেখা যায় যে প্রতিটি দলের নবীন ও উদীয়মান রাজনীতিকরা বেশ ভালো করছেন।

print