মোদির যুক্তরাষ্ট্র সফরে বিষম প্রতিক্রিয়া

মোদির যুক্তরাষ্ট্র সফরে বিষম প্রতিক্রিয়া

সুবীর ভৌমিক,
শেয়ার করুন

ভারতের আইটি শিল্পের দুর্দশা কাটনোর জন্য যেসব ভারতীয় মোদির দিকে তাকিয়ে ছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর ওয়াশিংটন সফর এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে তার বহুল আলোচিত বৈঠকটি সেই প্রত্যাশা পূরণে চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে।

আইটি হলো ভারতের প্রধান রফতানি পণ্য এবং যুক্তরাষ্ট্র হলো এর প্রধান বাজার। ফলে এইচ১বি ভিসা কমানোর ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত শিল্পটিকে হুমকির মধ্যে ফেলে দিয়েছে, এর কাপ্তানদের উদ্বিগ্ন করে তুলেছে।

শীর্ষস্থানীয় আইটি উদ্যেক্তা বিকাশ চ্যাটার্জি বলেছেন, ‘মোদির সফরে আমরা ওই ব্যাপারে কিছুই পাইনি। আর ট্রাম্পকে খুশি করার জন্য তিনি বিষয়টা উত্থাপন পর্যন্ত করেননি।’

তিনি সাউথএশিয়ানমনিটরডটকমকে বলেন, ‘ট্রাম্প যা চেয়েছিলেন তা পেয়েছেন, মোদি আমাদের জন্য কিছুই আনতে পারেননি।’

কোনো প্রধানমন্ত্রী যদি বুক ফুলিয়ে উন্নয়নের কথা বলেন, আর জানান, তার প্রধান লক্ষ্য হলো অর্থনীতি, কিন্তু তিনি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক বিষয়গুলো উত্থাপন করার সাহসই না পান, তবে তা ব্যর্থতা হিসেবে পরিগণিত হতে পারে।

এই মন্তব্যটি করেছেন ইন্দো-ইউএস সম্পর্কবিষয়ক বিশেষজ্ঞ ইহসানি নস্কর।

নস্কর সাউথএশিয়ানমনিটরডটকমকে বলেন, ‘ভারতকে পরজীবীর মতো দেখানোর কোনো কারণ নেই। আমাদের প্রতিটি পররাষ্ট্র সম্পর্ক প্রশ্নে বিশেষ করে ট্রাম্পের মতো নতুন রাষ্ট্রপ্রধান যখন দায়িত্ব গ্রহণ করেন, তখন গতিশীলভাবে আচরণ করা উচিত।

তিনি বলেন, মোদির এই সফর থেকে ভারত সুনির্দিষ্টভাবে কিছুই পায়নি।

অনেকে এ জন্য ভারতের কৌশলগত লক্ষ্য না থাকার কথা উল্লেখ করেছেন।

কলকাতাভিত্তিক থিঙ্ক ট্যাঙ্ক সেন্টার ফর স্টাডিজ ইন ইন্টারন্যাশনাল রিলেশন্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (সিএসআইআরডি)-এর প্রধান বিনোদ মিশ্রের মতে, ‘যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে কী চায়, সে সম্পর্কে ভারতের সুস্পষ্ট কোনো ধারণা ছিল না। আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক ব্যাপারে আমাদের কৌশলগত ভিশন অস্পষ্ট। আমাদের কৌশলগত লক্ষ্য কী – এই প্রশ্নটি মোদি বা পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজকে জিজ্ঞাসা করে দেখুন, তারা আবোল-তাবোল বকবেন।’

সাউথএশিয়ানমনিটরডটকমকে মিশ্র বলেন, ভারত প্রধানত তার ঘোষিত অবস্থানের অনুমোদন চাচ্ছে। কিন্তু প্রযুক্তি হস্তান্তর, বড় মাপের বিনিয়োগ বা কৌশলগত সহযোগিতার ব্যাপারে কোনো প্রাপ্তি ঘটেনি।

তিনি বলেন, ‘আপনি যা চান, তা পাবেন। তারা (যুক্তরাষ্ট্র) যা চেয়েছে, তা পেয়েছে। আপনি কাশ্মির প্রশ্নে সমর্থন চেয়েছেন, ভারত সালাহউদ্দিনকে বৈশ্বিক সন্ত্রাসী হিসেবে ঘোষণা করে দেয়া মার্কিন বিবৃতি পেয়েছে। এটা একটা কৃত্রিম ব্যাপার, এতে প্রকৃত কোনো লাভ নেই। অন্যদিকে ট্রাম্প যা চেয়েছিলেন তা পেয়েছেন, তথা তিনি ভারতে আরো বেশি অস্ত্র বিক্রির সুবিধা লাভ করেছেন।’

মিশ্র বলেন, সামান্য প্রাপ্তির এই কূটনীতি ভারতের জন্য অভিশাপ। বিশ্বে এটা আমাদের স্থানের সাথে মানানসই নয়। আর সেজন্য মোদিকেই দায়ী করতে হয়। তারা তাদের অবস্থান অনুমোদন করে দেয়া বিবৃতিতেই খুশি।

তিনি উদাহরণ হিসেবে গত বছর গোয়ায় অনুষ্ঠিত ব্রিকস-বিমস্টেক শীর্ষ সম্মেলনের কথা উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা এটাকে আমাদের বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক অ্যাজেন্ডা হিসেবে ব্যবহার করতে পারতাম। কিন্তু আমরা সন্ত্রাসবাদ প্রশ্নে পাকিস্তানকে নি:সঙ্গ করার চেষ্টায় সেটাকে অপচয় করলাম।’

ভারতের সামরিক নেতারাও বিশ্বাস করেন, যুক্তরাষ্ট্রের কৃত্রিম সমর্থন প্রকাশ কাশ্মির বিদ্রোহ দমন কিংবা হিমালয়ের অনেক উঁচুতে চীনা সৈন্যদের মোকাবিলায় থাকা তাদের সৈন্যদের জন্য কার্যত কোনোই সুবিধাজনক কিছু নয়।

মেজর জেনারেল (অব.) কে কে গাঙ্গুলি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র হয়তো আমাদের পিঠ চাপড়িয়ে কাশ্মির প্রশ্নে আমাদের সমর্থন করে কিছু কথা বলছে। কিন্তু কৌশলগত অবস্থানে থাকার কারণে তারা পাকিস্তানকে সমর্থন করে যাবে।’ এই জেনারেল শ্রীলঙ্কায় ভারতের শান্তিরক্ষা মিশন কমান্ডে ছিলেন, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দুটি যুদ্ধে লড়েছেন।

তিনি বলেন, চীনকে নিজেদের সামর্থ্যে মোকাবিলা করার সামর্থ্য অর্জনের আগে পর্যন্ত এ ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন প্রয়োজন ভারতের।

তিনি বলেন, আমাদের সামরিকভাবে শক্তিশালী হতে হবে, যাতে চীন আরেকটি ১৯৬২ ঘটাতে না পারে। এ ধরনের সক্ষমতায় তা হাসিল করার আগে পর্যন্ত কৌশলগত অংশীদার হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে থাকা দরকার আমাদের, এমনকি এর মানে বাস্তবে আমাদের প্রাপ্তি সামান্য হলেও।

তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, তবে মার্কিন পরিকল্পনায় সম্পৃক্ত হতে হবে ভারতকে। মার্কিন যুদ্ধে ভারতকে পাশে পাওয়ার ইঙ্গিতটির কথা তিনি জানিয়েছেন এর মাধ্যমে।

সামরিকভাবে শক্তিশালী হওয়ার আগ্রহ ভারতকে অস্ত্র সংগ্রহের দিকে ঠেলে দিয়েছে, সৌদি আরবের পর দেশটিকে দ্বিতীয় বৃহত্তম অস্ত্র আমদানিকারকে পরিণত করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় দূতাবাসে সামরিক অ্যাটাশে হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী মেজর জেনারেল অরুন রায় বলেন, ফায়দা হাসিলের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ঠিক এই সুযোগেরই অপেক্ষায় ছিল।

তিনি বলেন, চীন সত্যিকারের হুমকি, আর যুক্তরাষ্ট্র সবেমাত্র বন্ধু হচ্ছে। তিনি কলকাতাভিত্তিক থিঙ্ক ট্যাঙ্ক সিইএনইআরএস-কে-এর সাথে জড়িত।

মোদির সফরের প্রভাব নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বৈশিষ্ট্যসূচক সামরিক গুরুগম্ভীরতায় সাউথএশিয়ানমনিটরডটকমকে বলেন, ‘একটি বিশাল শূন্য।’
তারপর তিনি সাথে সাথে যোগ করেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ কিছুই পাওয়া যায়নি।’

ব্যাখ্যা করার জন্য অনুরোধ করা হলে তিনি বলেন, বৈরি পাকিস্তান ও চীনকে মোকাবিলার ক্ষেত্রে ভারত ও মোদির সামনে যুক্তরাষ্ট্রের বিষয়টি তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়।

তিনি বলেন, তারা বৈশ্বিক পুলিশ। তারা অনেক স্থানে ব্যাপকভাবে ও রক্তাক্তভাবে সম্পৃক্ত। আর ট্রাম্প এসব সম্পৃক্ততা কমানোর চেষ্টা করছেন।

চীনের কাছ থেকে আরো ঝামেলা সৃষ্টি হলে মনে হয় না মোদির কাছে ছুটে আসবেন ট্রাম্প। মনে রাখতে হবে, ১৯৬২ সালে কেনেডির কাছ থেকে নেহরু কিছুই পাননি।

তিনি বলেন, আসলে ভারতকেই তার নিজস্ব কৌশলগত হিসাব-নিকাশ করতে হবে, তাকে অন্যের মর্জির ওপর বসে থাকলে চলবে না।

নস্কর ও মিশ্র এই মতের সাথে একমত পোষণ করেছেন।

মিশ্র বলেন, আমাদের নিজস্ব হিসাবের আলোকেই চীনের বিরুদ্ধে নামতে হবে, আমাদের সামরিক বাহিনীর কাছে মার্কিন অস্ত্র বিক্রেতাদের অস্ত্র বিক্রিতে সহায়তার করার জন্য নয়।

নস্কর ভারতের কৌশলগত স্বাতন্ত্র্য এবং চীনের সাথে আরো ভালো সম্পর্কের ওপর জোর দেন।

তিনি বলেন, চীন কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিবেশী নয়। সে আমাদের প্রতিবেশী। যুক্তরাষ্ট্রকে খুশি করার জন্য অপ্রয়োজনে চীনকে নাখোশ করাটা আমাদের জন্য কল্যাণকর নয়।

তিনি কাশ্মিরকে ‘ভারত-শাসিত’ হিসেবে বর্ণনা করে প্রকাশিত মার্কিন বিবৃতিতে আপত্তি করেন। কারণ এতে কাশ্মির ভারতের অংশ কিনা সে প্রশ্নটি সৃষ্টি হয়েছে এর মাধ্যমে।

নস্কর বলেন, বিষয়টি মোদি এবং তার দলের পেশীবহুল জাতীয়তাবাদের সাথে খাপ খায় না। তিনি কিভাবে এটা এড়িয়ে যেতে পারলেন।

ট্রাম্প-মোদি বৈঠক নিয়ে ভারত বিশেষজ্ঞদের অভিমত মার্কিন বিশেষজ্ঞদের চেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন।

দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সাবেক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী রবার্ট ব্লাক বলেন, আমি মনে করি, সফরটি দারুণ সফল হয়েছে। সার্বিক বিষয়টি সঙ্ঘাতমূলক না হয়ে সহযোগিতামূলক ধারণায় হওয়ায় আমি সত্যিই খুশি।

বর্তমানে ম্যাকলার্টি এসোসিয়েটসের সিনিয়র পরিচালক হিসেবে কর্মরত ব্লাক বলেন, অনেকে আশঙ্কা করেছিল, মোদি-ট্রাম্প বৈঠকটি বাণিজ্য ঘাটতি ও এইচ-১বি ভিসা নিয়ে জটিল হয়ে পড়বে।

তিনি পিটিআই সংবাদ সংস্থাকে বলেন, এর বদলে দুই নেতা সন্ত্রাস দমন, প্রতিরক্ষা এবং পারস্পরিক বাণিজ্যের মতো কৌশলগত সহযোগিতায় জোর দেয়ায় আমি খুবই খুশি।

তিনি বলেন, এটা ভবিষ্যতের জন্য খুবই, খুবই ইতিবাচক ভিত্তি সৃষ্টি করেছে। বৈঠকটি এর চেয়ে বেশি সফল হতে পারতো বলে আমার মনে হয় না।

শীর্ষস্থানীয় আমেরিকান থিঙ্ক ট্যাঙ্ক সেন্টার ফর স্ট্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের রিক রশো বলেন, বৈঠকের বিষয়সূচি নির্ধারণে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের রাজনৈতিক দলের ওপর তার নীতিনির্ধারণী দল জয়ী হয়েছে।

তিনি বলেন, বাণিজ্য নিয়ে জটিলতা সৃষ্টির আশঙ্কা থাকলেও দুই নেতা এশিয়ার নিরাপত্তা নিয়ে আমাদের সাম্প্রতিক ও ভবিষ্যত অগ্রগতির যথাযথ জায়গাতেই আঘাত হেনেছেন।

তিনি বলেন, পাকিস্তানভিত্তিক সন্ত্রাসী গ্রুপগুলো নিয়ে আলোচনাটি যথাযথ হয়েছে। আর মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে ক্রমবর্ধমান সমন্বয়ও বিরাট প্রতিশ্রুতি সৃষ্টি করেছে।

মন্ত্রীপর্যায়ে আলোচনার জন্য বিষয়বস্তু প্রস্তুত হয়েছে। আমরা আগামী মাসগুলোতে নানামুখী আনুষ্ঠানিক সংলাপ শুরু করতে পারবো।

আমেরিকান এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউটের রেসিডেন্ট ফেলো সাদানন্দ ধুম বলেন, প্রধানমন্ত্রী মোদি আবারো প্রমাণ করলেন, তার সবচেয়ে শক্তির জায়গার একটি হলো পররাষ্ট্রনীতি।

তিনি বলেন, বৈশ্বিকপ্রবাহের যুগে নয়াদিল্লির জন্য গুরুত্বপূর্ণ এটা নিশ্চিত করা যে, যুক্তরাষ্ট্র-ভারত সম্পর্ক ঠিক পথে বহাল রাখা। মোদি দৃঢ়তা, ক্যারিশমা ও মুগ্ধতার পরশ ছড়িয়ে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে এই কাজটি করতে পেরেছেন।

আটলান্টিক কাউন্সিলের ভারত গোপালস্বামী বলেন, আমরা যেখান থেকে কাজটি শুরু করেছি, সেটাকে বিজয় হিসেবে অভিহিত করতে পারি। আমরা কোনো দুর্ঘটনা ছাড়াই সফরটি শেষ করতে পেরেছি।

যারা ট্রাম্পের খামখেয়ালি এবং মোদির প্রদর্শনমূলক উচ্ছ্বাস সম্পর্কে অবগত, তাদের কাছে এই সফর কিছুটা সাফল্যমন্ডিত বিবেচিত হতে পারে।

তিনি বলেন, ‘অধিকন্তু সন্ত্রাসপ্রতিরোধে, বিশেষ করে পাকিস্তান নিয়ে আমরা ইতিবাচকভাবে একমত হয়েছি। তাছাড়া চীন ও ইন্দো-প্যাসিফিক প্রশ্নেও একমত হয়েছি। ড্রোন বিক্রির মধ্য দিয়ে প্রতিরক্ষা সম্পর্ক জোরদার হয়েছে। বাণিজ্য সবসময় জটিল বিষয় হয়ে আছে এবং থাকবে।’

গোপালস্বামী বলেন, গত ২০ বছর ধরে সম্পর্ক অনেক পথ পাড়ি দিয়েছে। এই সম্পর্ক এখন সর্বোচ্চ পর্যায়ে উপনীত হয়েছে।

বাওয়ার গ্রুপ এশিয়ার দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক ব্যবস্থাপনা পরিচালক পারসিস খাম্বাত্তা বলেন, মোদি ও ট্রাম্পের মধ্যকার প্রথম সরাসরি বৈঠকটি অত্যন্ত সফল হয়েছে।

তিনি বলেন, ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চল, সন্ত্রাসপ্রতিরোধ ও নিরাপত্তা সহযোগিতাসহ কৌশলগত এলাকায় ট্রাম্প প্রশাসনের সাথে জোরালো সূচনা ঘটেছে এই সফরে।

আগামী বছরগুলোতে যাতে মার্কিন-ভারত কৌশলগত ও নিরাপত্তা সম্পর্ক আরো জোরদার হয়, সে ব্যাপারে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। পাকিস্তান, উত্তর কোরিয়া ও চীন প্রশ্নে এই সম্পর্ক গতি হারাবে না।

তিনি স্বীকার করেন, অতীতের মতো এই সফরে বাণিজ্যিক ইস্যুগুলো তেমন গুরুত্ব পায়নি, যদিও এইচ১বি ভিসার মতো বিষয়গুলো ভারতের আইটি শিল্পের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিবেচিত হয়ে থাকে।

তিনি বলেন, ‘সুষ্ঠু ও পারস্পরিক’ বাণিজ্যিক সম্পর্কের ওপর ট্রাম্পের গুরুত্বারোপ এবং ভারতের সাথে বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর বিষয়টি ছিল প্রত্যাশিত।

তবে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ভারত বিশেষজ্ঞদের অতি-উৎসাহী ভাবও স্পষ্টতই ভারতে বিরাজমান মনোভাব পরিবর্তন করতে পারেননি। ভারতে বিরাজমান মনোভাব হলো ট্রাম্পের সাথে বৈঠকে মোদি প্রতীকীভাবে ছিলেন অনেক উচ্চে, তবে কার্যকারিতার দিক থেকে ছিলেন অনেক নিচে।

print
শেয়ার করুন