দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে পরিবর্তিত বিশ্বব্যবস্থার প্রভাব নিয়ে ইন্দো-বাংলা সংলাপ

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে পরিবর্তিত বিশ্বব্যবস্থার প্রভাব নিয়ে ইন্দো-বাংলা সংলাপ

সৈয়দ জয়নুল আবেদীন,
শেয়ার করুন

বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সংলাপের অষ্টম অধিবেশনে দক্ষিণ এশিয়ার শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি এবং সেইসাথে দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ওপর পরিবর্তিত বিশ্বব্যবস্থার প্রভাব সতর্কভাবে মূল্যায়ন করা হয়। আসামের গৌহাটিতে তিন দিনব্যাপী এই মূলায়ন হয়। ২ থেকে ৪ জুলাই এই সংলাপ হয় বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।

সংলাপে আগের রাউন্ডের আলোচিত বিষয়গুলো নিয়েও পর্যালোচনা এবং এ ব্যাপারে কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে, তা নিয়ে আলোচনা হয়।

আলোচ্যসূচির মধ্যে ছিল শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধশীল আন্তর্জাতিক সীমান্ত ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা; পানির নিরাপত্তা এবং যৌথ অববাহিকা ব্যবস্থাপনা; জ্বালানি নিরাপত্তা এবং বিদ্যুতের আন্ত:সীমান্ত উৎপাদন ও বাণিজ্য; অভ্যন্তরীণ পানিপথ ব্যবহারের মাধ্যমে কানেকটিভিটি ও সমন্বিত বহু মডেলের কমিউনিকেশন।

এছাড়া আঞ্চলিক ও মহাদেশীয় মহাসড়ক, রেল নেটওয়ার্ক, সমুদ্রবন্দর এবং উপকূলীয় জাহাজ চলাচলের মতো বিশাল স্থাপনার পারস্পরিক ব্যবহারের মতো বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়।

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পারস্পরিক বিনিয়োগ, উৎপাদন ইত্যাদি নিয়েও আলোচনা হয়।

অষ্টম রাউন্ডের আলোচনায় যৌথ অর্থায়ন এবং উদ্ভাবন ও উচ্চমানের মূল্য সংযোজনকারী পণ্য ও পরিষেবার টেকসই ও অগ্রসরমুখী ব্যবস্থার সম্ভাবত্য ও মডেলও স্থান পায়।

এতে ‘সাউথ এশিয়া ফর ২০৩০’-এর নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক ভিশনের কথাও বলা হয়। উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তাদের প্লাটফর্ম হিসেবে মূলত এই ভিশনের কথা বলা হয়েছে।

print