ভারতের সবচেয়ে সংবেদনশীল স্থানে কেন আঘাত হানছে চীন?

ভারতের সবচেয়ে সংবেদনশীল স্থানে কেন আঘাত হানছে চীন?

পি কে বালাচন্দ্রন,
শেয়ার করুন

ভুটান-সিকিম-তিব্বত অঞ্চলে ভারত ও চীনের সীমান্তে দুই দেশের মধ্যকার মুখোমুখি অবস্থান আরও সংঘাতের দিকে বাঁক নিতে যাচ্ছে। ভারতের হাত থেকে ভুটান ও সিকিমের মুক্তি পাওয়া দরকার বলে বুধবার চীনের রাষ্ট্রীয় মুখপাত্র গণমাধ্যম হিসেবে খ্যাত গ্লোবাল টাইমসে সম্পাদকীয় প্রকাশে এই সংঘাতের তীব্রতা বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। যদিও সিকিম ভারতের একটি স্বীকৃত অংশ এবং অন্যদিকে ১৯৪৯ সালে স্বাক্ষরিত প্রতিরক্ষা  চুক্তি (যা ২০০৭ পুনঃনবায়নকৃত) দ্বারা ভুটানের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে ভারত। ঘটনাবলীর এই অস্বাভাবিক বিপর্যয়ের প্রকাশ্য কারণটি সীমান্ত অঞ্চল নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধ যা শুরু হয় চীন সেখানে একটি সড়ক নির্মাণের চেষ্টা করার পর ভারত তাতে বাধা প্রদান করলে। কিন্তু বাস্তব কারণ অনেক গভীর এবং বড়। প্রকৃতপক্ষে, গত দুই বছরে অনেকগুলো ঘটনা সীমান্তের বিবাদকে আজকের এই পর্যায়ে নিয়ে এসেছে যা চীনকে একটি কঠোর অবস্থান নিতে বাধ্য করেছে।

চীনের পরিকল্পনা

৫ই জুলাই একটি সম্পাদকীয়তে  চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম  গ্লোবাল টাইমস ভুটান ও সিকিমের জন্য বেইজিংয়ের পরিকল্পনার একটি আভাস দেয়।

এতে বলা হয়, “ভুটানের ওপর ভারতের এক ধরণের ভীতিপূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে যার কারণে প্রতিবেশী চীন বা জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অন্য কোন স্থায়ী সদস্যের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করেনি ভূটান। বিভিন্ন  অসম চুক্তির মাধ্যমে, ভারত ভুটানের কূটনৈতিক সার্বভৌমত্ব গুরুতরভাবে ক্ষুন্ন করছে এবং জাতীয় প্রতিরক্ষার উপর তার সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার চেষ্টা করছে।”

“ভুটান ও সিকিমের মিল দেখিয়ে সম্পাদকীয়তে বলা হয়, ভারত এর আগে সিকিমে অনুরূপ একটি জবরদস্তিমূলক নীতি আরোপ করেছিল। ১৯৬০ এবং ৭০-এর দশকে ছোট এই প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের পক্ষের আন্দোলনগুলি ভারতীয় সামরিক বাহিনী দিয়ে খুব নিষ্ঠুরভাবে দমন করা হয়েছিল। ১৯৭৫ সালে নয়াদিল্লি সিকিমের রাজাকে ক্ষমতাচ্যুত এবং দেশটির পার্লামেন্টকে অবৈধভাবে প্রভাবিত করে সিকিমকে ভারতের একটি রাজ্যে পরিণত করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করে।”

এতে বলা হয়, “সিকিমের এরূপ অধিগ্রহণ ভুটানের জন্য একটি ভয়ংকর দুঃস্বপ্নের মত এবং ছোট এই দেশটি ভারতের প্রতি বশীভূত হতে একরকম বাধ্য হয়েছে। স্বাধীনতার পর,  নয়াদিল্লি উত্তরাধিকারসূত্রে ব্রিটেনের নিষ্ঠুর ঔপনিবেশিক নীতিগুলি পেয়েছে এবং তা হিমালয়ের ক্ষুদ্র জাতিগুলির উপর আঞ্চলিক আধিপত্য বিস্তার করতে ব্যাবহার করছে।”

ভুটান, সিকিম, ভারত ও চীনের সাথে যুক্ত সীমান্ত বিরোধের কথা ইঙ্গিত করে গ্লোবাল টাইমস বলছে, সীমান্তে বর্তমানের এই মুখোমুখি অবস্থান নয়াদিল্লির আঞ্চলিক আধিপত্যের আচ্ছন্নতাকে নগ্নভাবে সামনে নিয়ে এসেছে। “ভুটানকে তার সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে সাহায্য করার, অজুহাত ব্যবহার করে চীনা সীমান্তের ভিতরে চীনের সড়ক নির্মাণে ভারত নির্লজ্জভাবে বাধা দেয়।

গ্লোবাল টাইমস বলেছে যে, চীন এর নির্মাণস্থলটি ভারতের বিক্ষোভপূর্ণ উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ শিলিগুড়ি করিডোরের কাছে অবস্থিত। এই সড়ক নির্মাণে তাদের করিডোরের প্রতি সম্ভাব্য হুমকি নিয়ে সন্দেহ করে ভারতীয় সৈন্যরা। তারা চীন সীমান্ত অতিক্রম করে এবং চীনের রাস্তা নির্মাণে বাধা দেয়।

এর পর সম্পাদকীয়তে সতর্ক করে বলা হয়, এখন নয়াদিল্লির আঞ্চলিক আধিপত্যের বিষয়টি এতটাই ফুলে ফেপে উঠেছে যে তাকে এর জন্য খুব শীঘ্রই জবাবদিহিতার মুখোমুখী হতে হবে।

তারপর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে তারা আহ্বান করে বলে, বিশ্ব সম্প্রদায়ের উচিৎ হবে হিমালয় অঞ্চলের ছোট দেশগুলির উপর নয়াদিল্লীর তর্জনের দিকে মনোযোগ দেওয়া। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ভুটান এর সঙ্কট নিয়ে সচেতন হতে হবে এবং ভারত কর্তৃক এই ছোট রাজ্যের উপর নিপীড়ন প্রতিরোধ করতে হবে।

এতে বলা হয়, “ভুটানের কূটনৈতিক ও প্রতিরক্ষা সার্বভৌমত্ব পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে চীন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে নেতৃত্ব দিতে পারে। ভুটানের জনগণের ইচ্ছার কঠোরভাবে লঙ্ঘন করে ভারত ও ভুটানের মধ্যকার যেসকল অসম চুক্তি আছে তা বিলুপ্ত করা উচিত। ভুটানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনে চীনের প্রচেষ্টা আরো জোরদার করা প্রয়োজন।”

সিকিম নিয়ে

সিকিম বিষয়ে  গ্লোবাল টাইমস বলছে, “চীন ২০০৩ সালে ভারতের সিকিম অন্তর্ভুক্তির স্বীকৃতি দিলেও বেইজিং এখন চাইলে তার অবস্থান পরিবর্তন করতে পারে। সিকিমে এমন অনেকেই আছেন যারা আলাদা রাষ্ট্র হিসেবে তাদের ইতিহাসকে ধরে রাখতে চান এবং তাদের প্রতি বাইরের দেশগুলোর দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি সংবেদনশীল। যতদিন চীনের সমাজে সিকিমের স্বাধীনতার সমর্থনে কণ্ঠস্বর রয়েছে ততদিন সিকিম এ স্বাধীনতার পক্ষে কণ্ঠস্বর ছড়িয়ে পড়বে ।”

পত্রিকাটির সম্পাদকীয়তে বলা হয়, “অতীতে, ভারতের দালাই লামা কার্ড বার বার খেলার ব্যাপারে চীন বেশ উদ্বিগ্ন ছিল। তবে এই কার্ডটি ইতিমধ্যে এতবারই খেলা হয়েছে যে এটি এখন তিব্বত প্রশ্নে কোনও প্রভাব ফেলবে না। কিন্তু বেইজিং যদি ভারত-সংবেদনশীল বিষয়ে তার অবস্থান সমন্বয় করে তবে তা নয়াদিল্লিকে মোকাবেলা করার জন্য চীনের একটি শক্তিশালী কার্ড হতে পারে।

গ্লোবাল টাইমস পূর্বাভাস দিয়ে বলছে যে, “বিভিন্ন পরিস্থিতিতেই ভুটান ও সিকিমে ভারত বিরোধী আন্দোলন শক্তিশালী হতে পারে যা ভারতের অস্থির উত্তর পূর্বাঞ্চলকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করবে এবং দক্ষিণ হিমালয়ের ভূ-রাজনীতিকে পুনর্লিখন করবে।”

এটি আঘাত করেছে সেখানে যেখানে সবচেয়ে বেশি লাগে

 এটি ভারতকে আঘাত করছে সেখানে যেখানে সবচেয়ে বেশি আঘাত লাগে। ভারত-চীন সীমান্ত সমস্যা এখন কিছুটা বড় আকারে পরিবর্তিত হয়েছে। কারণ ভুটান ও সিকিম এই দুটি নতুন সত্তা যোগ করে সেটিকেও ভারতের আশেপাশের “অস্থির শ্রেণিতে” নিয়ে এসেছে ।

বেইজিংয়ের সরকার স্পষ্টতই আশা করছে যে, ভুটান ও সিকিম শীঘ্রই নেপাল, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানের সাথে চীনের প্রকাশ্য ও গোপন সহযোগিতা পেয়ে ভারতের বিরোধিতা করবে।

স্বল্প মেয়াদে ভুটান এবং সিকিম বেইজিং এর আহ্বানে সাড়া দিয়ে বিদ্রোহ করে ফেলবে এমন কোন বস্তুনিষ্ট উদ্দেশ্য তাদের হয়তো নেই। কিন্তু এটা পুরোপুরি ধারণা করা যায় যে, আগামী বছরগুলিতে সেখানে জাতীয়তাবাদী অনুভূতিগুলি চীনের মত একটি শক্তিশালী প্রতিবেশীর সাহায্যের হাত বাড়ানোর জন্য প্রস্তুত দেখতে পেয়ে জেগে উঠবে। সেখানকার জাতিগত, ভাষাগত, সাংস্কৃতিক ও ভৌগোলিক গোষ্ঠীর মধ্যে সুপ্ত থাকা চেতনা চাঙ্গা হবে।

অখণ্ড হিন্দুত্ববাদী মতাদর্শের দ্বারা পরিচালিত একটি অতি-জাতীয়তাবাদী ও জঙ্গিবাদী শাসনব্যবস্থার অধীনে আগ্রাসী ভারতীয় রাষ্ট্রের বিভ্রান্তিকর উদ্যোগের ফলে  আদিবাসীরাও তাদের সংস্কৃতি ও আচরণবিধি রক্ষার জন্য বিশেষভাবে সক্রিয় হতে প্রলুব্ধ হতে পারে।

ঠিক যেমন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) শাসনব্যবস্থা এখন হিন্দুদের খাদ্যাভ্যাসের রীতি (গো-হত্যায় নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে) ভারতের মুসলিমদের মেনে নিতে বাধ্য করছে এবং তাদের অর্থনৈতিক স্বার্থকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। তেমনি সম্ভাবনা দেখা দিচ্ছে যে বিজেপির সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হিন্দু সর্বস্তরের সম্প্রদায়ের সংগঠন সংঘ পরিবার সিকিম ও অরুণাচল প্রদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলির অ-হিন্দুদের হিন্দু ধর্মাবলম্বী করতে কাজ করতে পারে, যদিও চীন এই অঞ্চলটি তিব্বত অংশ হিসাবে দাবি করে।

ভারতে সর্বোচ্চ পর্যায়ে ক্রমবর্ধমানভাবে ‘সহনশীলতার অভাব’ একাধিক পরিণতি ডেকে আনতে পারে। যার মধ্যে একটি হল নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকায় অধিবাসি জাতিগত গোষ্ঠীর বিচ্ছিন্নতাবাদী প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়া।অতএব,  সময়ের প্রয়োজন হল অভিন্নতা চাপিয়ে না দিয়ে বৈচিত্র্য ও সহনশীলতা উপর ভিত্তি করে একতা প্রতিষ্ঠা করা।

যুদ্ধের হুমকি

ভারত এর আঞ্চলিক অখণ্ডতা এবং সার্বভৌমত্বের জন্য গ্লোবাল টাইমস এর হুমকি অধিক গুরুতর এ কারণে যে এর সাথে যুদ্ধের হুমকিও রয়েছে।

চীন বলেছে যে, এটি এমন এক যুদ্ধ হবে যাতে ভারত ১৯৬২ সালে সংঘটিত যুদ্ধে যে ভাগ্য বরণ করেছিল সেই একই হতাশাজনক ভাগ্য বরণ করবে। তবে, এশিয়ায় সবচেয়ে বড় দুই দেশের মধ্যে এ সামরিক সংঘাত ঘটলেও তা প্রকৃতপক্ষে ১৯৬২ সালের যুদ্ধের মতো প্রকৃতিতে সীমিত সময়ের হতে পারে।

উভয় দেশ পরমাণু অস্ত্র সম্মৃদ্ধ। আর একই সাথে  তাদের এই পারমাণবিক অস্ত্র তাদের সংযত রাখার ফ্যাক্টর হিসাবেও কাজ করবে। আর ১৯৬২ সালের মতো, সম্ভবতঃ বিশ্ব সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ভারত ও চীন সাম্প্রতিক যে  অর্থনৈতিক অর্জন করেছে সে গুরুত্ব বিবেচনা করে নিশ্চুপ হয়ে বসে থাকবে না।

বেইজিংয়ের ক্ষুব্ধ হবার কারণ

বেইজিং রাস্তা নির্মাণের মাধ্যমে ভুটানের ভূখন্ডের সীমানা লঙ্ঘন করেছে এবং ভারতকে ভুটানে একটি চুক্তির বাধ্যবাধকতার কারণে পদক্ষেপ নিতে হয়েছে মর্মে যে কথা আগে বলেছে সে ব্যাপারে নরেন্দ্র মোদী সরকার চীনের হুমকির মুখে নীরবতা অবলম্বন করে যাচ্ছে।

উভয় পক্ষ ১৮৯০ সালের চুক্তির উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছে, এখানকার সীমান্ত নিষ্পত্তিকৃত কিন্তু বিস্তারিত বিবরণে গিয়ে তারা ভিন্ন মত দিচ্ছে।

এই ধরনের সমস্যা এর আগেও আলোচনার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হয়েছে অথবা কিছু সময়কালের জন্য তা পেছনে ফেলে রাখা হয়েছে। তবে চীন ও ভারত এখন বিভিন্ন জটিল সমস্যার কারণে সাংঘর্ষিক এক অবস্থার মধ্যে রয়েছে।

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং তার ট্রেড মার্ক প্রকল্প, ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড (ওবিওআর) নামের আন্তঃপ্রাচীন সড়ক ও বন্দর প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য উন্মুখ। তিনি ভারতকে এই উদ্যোগে যোগদানের জন্য আহ্বানও জানিয়েছেন। কিন্তু ভারত শুধু এই আমন্ত্রণটি গ্রহণে অস্বীকারই করেনি অধিকন্তু এই প্রকল্পের বিভিন্ন দুর্বলতা চিহ্নিত করে চীনের আন্তর্জাতিক বিশ্বাসযোগ্যতা এবং শি এর ব্যক্তিগত ভাবমর্যাদার ক্ষতি করেছে।

শি এটিকে একটি ব্যক্তিগত অপমান হিসাবে বিবেচনা করেন। কারণ তিনি আশা করছেন যে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির ইতিহাসে মাও শে তুঙ এবং দেং শিয়াও পিং এর পর চীনকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবার জন্য তিনি স্বীকৃত হয়ে থাকবেন। পার্টির পরবর্তী কংগ্রেসে ওবিওআর এর জন্য বিশেষ সম্মান পাবার প্রত্যাশা করছেন তিনি।

ভারত এখন নিজে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কক্ষপথে দৃঢ়ভাবে অবস্থান গ্রহণ করছে, যে দেশটি চীনের বিরুদ্ধে মুদ্রা কারসাজির অভিযোগ করেছে এবং তাইওয়ানের উপর চীনের দাবিকে উপেক্ষা করে সেখানে অস্ত্র সরবরাহের  ব্যবস্থা করেছে।

অধিকন্তু ভারত তিব্বতকে চীনের সাথে একিভূত করার বিরোধিতাকারী দালাই লামাকে নানাভাবে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে বেইজিংকে ত্যক্ত বিরক্ত এবং পরিস্থিতিকে উত্তেজিত করেছে।  স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে সাথে নিয়ে দালাই লামা অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াং সফর করেছেন যে অঞ্চলকে বেইজিং চীনের স্বায়ত্তশাসিত তিব্বত অঞ্চলের অংশ বলে দাবি করে। আর এ সবেরই উপরে, দিল্লি মার্কিন রাষ্ট্রদূত রিচার্ড ভার্মাকে অরুণাচল প্রদেশে একটি সুসংগঠিত সফরের ব্যবস্থাও করে দিয়ে আগুণে ঘি ঢালার কাজ করেছে।

print
শেয়ার করুন