শ্রীলংকায় আগের ‘স্বৈর সরকারের’ দুর্নীতি প্রকাশের ইঙ্গিত দিলেন সিরিসেনা

শ্রীলংকায় আগের ‘স্বৈর সরকারের’ দুর্নীতি প্রকাশের ইঙ্গিত দিলেন সিরিসেনা

এসএএম স্টাফ,
শেয়ার করুন

শ্রীলংকার প্রেসিডেন্ট মৈত্রিপালা সিরিসেনা বলেছেন যে, তিনি ২০১৫ সালের ৮ ই জানুয়ারী তারিখে এক স্বৈর ও সামরিক শাসনের অবসান ঘটিয়েছেন এবং এই দেশে এই ধরনের শাসন ফিরে আসার সম্ভবনা আর নেই।

তিনি বলেন, “এই দেশের মানুষ আজ কিছু লোকের ষড়যন্ত্র সম্পর্কে জানে বোঝে, যারা জনগণের সামনে একটি কল্প পৃথিবী দেখিয়ে ক্ষমতায় আসার চেষ্টা করছে। তারা নিজেদের মুখগুলোকে মুখোশ দিয়ে লুকিয়ে রেখেছে”।

প্রেসিডেন্ট গত বৃহস্পতিবার গলগামুয়ায় সেচ প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের নবনির্মিত প্রশাসন ভবন উদ্বোধনের জন্য আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন।

প্রেসিডেন্ট বলেন, “সরকার এই লোকটির উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের নামে জালিয়াতি এবং দুর্নীতি জনগণের কাছে প্রকাশ করার জন্য প্রস্তুত। বর্তমান সরকার এক অসমর্থ, ব্যর্থ সরকার, এমন মিথ্যা কাহিনী প্রচার করছে এই লোকগুলো “।

সিরিসেনা বলেন, ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগে যখন কার্যত কোন সরকারই কর্মরত ছিল না তখন জিন নিলওয়ালা প্রকল্পের সাথে যুক্ত বিলিয়ন ডলারের এক চেক ইস্যু করা হয়।

তিনি উল্লেখ করেন, ” কিছু ব্যক্তি আমাদের চ্যালেঞ্জ করছে কোনও জালিয়াতি ঘটে থাকলে তা প্রকাশ করার জন্য । এখন পর্যন্ত এই জালিয়াতির বিষয়গুলি প্রকাশ করা হয়নি। আমরা জনগণকে দেখাতে পারি যে সেই টাকা কি হয়েছে “।

তিনি উল্লেখ করেন যে, উমা ওয়া প্রকল্পের মাধ্যমে দেশটিতে বিধ্বস্তকর ঘটনা ঘটেছে, যা কোন মূল্যায়ন ছাড়াই রাজনৈতিক বিবেচনায় শুরু করা হয়েছিল।

প্রেসিডেন্ট জোর দিয়ে বলেন, “প্রত্যেককে একসঙ্গে কাজ করা দরকার যাতে এই সরকারের পরিবর্তন না হয় কিন্তু দেশ ও জনগণকে দারিদ্র্য থেকে মুক্তি পায় এবং দেশ লক্ষ লক্ষ কোটি টাকার ঋণের বোঝা থেকে মুক্ত হয়ে উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যেতে পারে”।

তিনি বলেন, “আমি খুবই খুশি যে আজকে মিডিয়া স্বাধীনভাবে সরকারকে সমালোচনা করতে পারছে এবং যে কেউ প্রতিবাদ করতে পারছে অবাধে ।

তিনি বলেন, “প্রতিটি রাজনৈতিক দল ওয়াইমবার জন্য পানির প্রয়োজনের কথা বলেছিল। কিন্তু বর্তমান সরকারই মোরাগাঙ্কান্ড প্রকল্প দিয়ে এই সমস্যার সমাধান করে দিয়েছে । ওয়াইমবা এলা প্রকল্প এবং মরগাহাকান্দ জলাধারের ফলে কুরুনেগালা জেলার ৩০০ টিরও বেশি কুপ সংস্কার করা হবে। এটি সেচ খাত এবং জেলার মানুষের জীবনে এক বিশাল রূপান্তর ঘটাবে “।

print
SOURCEনিউজ.এলকে
শেয়ার করুন