মধ্য জুলাইয়ের মধ্যে সংবিধান সংশোধনের আশ্বাস নেপালের শাসক দলগুলির

মধ্য জুলাইয়ের মধ্যে সংবিধান সংশোধনের আশ্বাস নেপালের শাসক দলগুলির

এসএএম স্টাফ,
শেয়ার করুন

ক্ষমতাসীন নেপালি কংগ্রেস (এনসি) এবং সিপিএন (মাওবাদী সেন্টার) মধ্য জুলাইয়ের মধ্যে সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে  আন্দোলনকারীদের দাবি পূরণের জন্য রাষ্ট্রীয় জনতা পার্টি-নেপালকে (আরজেপিএন) প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

গত ১৮ সেপ্টেম্বর স্থানীয় নির্বাচন বয়কট করার হুমকি দেওয়ার পর সরকার সংবিধান সংশোধনসহ আন্দোলনকারীদের চাহিদা মতো দাবি পূরণ করতে পারেনি।

প্রধানমন্ত্রীর শের বাহাদুর দেউবা ও ক্ষমতাসীন অন্য দলের নেতারা শুক্রবার এ ব্যাপারে আলোচনা করার জন্য আরজেপিএন এর নেতাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। আরজেপিএন নেতারা দেউবা সরকারের উপর সমর্থন প্রত্যাহার করার হুমকি দেবার এক সপ্তাহ পর প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে আলোচনার জন্য আসেন।

প্রধানমন্ত্রী দেউবা গত মাসে সংসদে বলেছিলেন, ২৮ জুনের দ্বিতীয় পর্বের স্থানীয় নির্বাচনের পর সংবিধান সংশোধন বিল আনবেন। এর আগে এর সপক্ষে দুই তৃতীয়াংশ সমর্থন নিশ্চিত করতে না পারার কারণে বিল উত্থাপন স্থগিত রাখা হয়। আরজেপিএন সহ মাধেশভিত্তিক দলগুলোর দাবির প্রেক্ষিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী পুষ্প কমল দহল প্রচন্ড এই বিলটি সংসদে নিবন্ধিত করেছিলেন।

এতে প্রাদেশিক সীমানা নির্ধারণ, জাতীয় সংসদের জন্য নির্বাচক মন্ডলি থেকে গ্রামীণ পৌরসভাগুলোর চেয়ারপারসন ও ভাইস চেয়ারপারসন এবং মিউনিসিপ্যালটির মেয়র ও ডেপুটি মেয়রদের বাদ দিয়ে এর মধ্যে শুধুমাত্র সংসদ সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করার ব্যাপারে সুপারিশ করার জন্য একটি ফেডারেল কমিশন গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে। ১১এপ্রিল সংসদে বিলটি নিবন্ধন করা হয়।

মাহাতোর মতে, আরজেপিএন নেতারা এর মধ্যে দক্ষিণের পল্লী অঞ্চলে স্থানীয় ইউনিটের সংখ্যা বৃদ্ধি, দলের ক্যাডারদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার এবং মাধেশ আন্দোলন চলাকালে আহতদের ক্ষতিপূরণ এর বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করার দাবি করেছে।

নেতাদের মতে, প্রধানমন্ত্রী দেউবা ও মাওবাদী চেয়ারম্যান পুস্প কমল দহল ১৮ সেপ্টেম্বর দুই নাম্বার প্রদেশের স্থানীয় নির্বাচনে আরজেপিএনকে অংশ নেওয়ার অনুরোধ করেন।

এর প্রতিক্রিয়ায়, আরজেপিএন নেতারা বলেছেন যে, কেবলমাত্র সংবিধান সংশোধন এবং  প্রদেশের স্থানীয় ইউনিট বৃদ্ধি তাদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের পথ উন্মুক্ত করবে।

সিপিএন (মাওবাদী কেন্দ্র) নেতা মাত্ত্রিকা যাদব বলেন যে, সংশোধনী বিলকে সমর্থন দেওয়ার জন্য ক্ষমতাসীন দলগুলি প্রধান বিরোধী দল সিপিএন-ইউএমএল-এর সাথেও কথা বলবে। সংসদে দ্বিতীয় বৃহত্তম দল থেকে সমর্থন ছাড়া সাংবিধানিক সংশোধন প্রায় অসম্ভব।