নেপালে নির্বাচন পেছানোর জন্য বাড়তি খরচ ৪০০ কোটি রুপি

নেপালে নির্বাচন পেছানোর জন্য বাড়তি খরচ ৪০০ কোটি রুপি

এসএএম স্টাফ,
শেয়ার করুন

নেপালের স্থানীয় নির্বাচনগুলি বার বার পিছিয়ে পড়ার কারণে সরকারের এই পর্যন্ত ৪০০ কোটি রুপির বেশি বাড়তি খরচ হয়েছে। উদ্ভুত পরিস্থিতিতে অনেক নির্বাচন কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা সংস্থা নিজেদের আর্থিক সুবিধা সরিয়ে রাখতে বিন্দুমাত্র দ্বিধাবোধ করছে না যা এই অতিরিক্ত ব্যয়ের একটি বড় অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, প্রাথমিকভাবে স্থানীয় নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যয় ধরা হয়েছিল ৭৫০ কোটি রুপী কিন্তু ২৬ শে এপ্রিল সরকার দুই পর্যায়ে নির্বাচন অনুষ্ঠান করার ঘোষণা দিলে পরিস্থিতিন পরিবর্তন হয়। সরকার ১৪ই মে ৩,৪ এবং ৬নং প্রদেশে প্রথম দফা নির্বাচন করে এবং ১৪ই জুন দ্বিতীয় পর্যায়ে ১,২,৫ এবং ৭ নং প্রদেশসমূহের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবার কথা। কিন্তু ২ নং প্রদেশের নির্বাচন অরেক দফা পেছানো হয়।

সরকারি সিদ্ধান্তের পর ২২ মে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নির্বাচনের জন্য নিরাপত্তা বাহিনীর বর্ধিত মেয়াদ ও কর্মকর্তাদের নিয়োগের কথা উল্লেখ করে অর্থ মন্ত্রণালয় (এমওএফ) থেকে অতিরিক্ত ২৬৯ কোটি রুপী দাবি করার সিদ্ধান্ত নেয়। বাজেট বৃদ্ধির অনুরোধ করার পরে অর্থ মন্ত্রণালয় ফাইলটি পর্যালোচনা করার সময়ের মধ্যেই সরকার আবার দ্বিতীয় পর্যায়  স্থানীয় নির্বাচনে পুনঃনির্ধারণ করে দুইসপ্তাহ পিছিয়ে ২৮ জুনে নিয়ে যায়। তার উপর ১৫ই জুন মন্ত্রিপরিষদ একটি বৈঠকে শুধু ২ নং প্রদেশের স্থানীয় নির্বাচন স্থগিত করে তা ১৮ সেপ্টেম্বরে নিয়ে যায়। ১,৫ ও ৭ নং প্রদেশের নির্বাচনে কিছুটা  পরিবর্তন করা হলেও নির্বাচনের তারিখ ২৮ জুন থেকে সরে যায়নি। তৃতীয়বারের মতো স্থগিত হওয়ার পর, নির্বাচনকালীন সময়ে নিরাপত্তার জন্য দায়িত্বরত নিরাপত্তা বাহিনী এবং প্রয়োজনীয় কর্মকর্তাদের জন্য ৩৬০ কোটি রুপী অতিরিক্ত দাবি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। যদিও নির্বাচনের প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায় সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে তবে নির্বাচন কমিশন (ইসি) এখনও ১৮ সেপ্টেম্বরের প্রাদেশিক নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এমওএফ কর্তৃক প্রকাশিত বাজেটে তৃতীয় পর্যায়ের নির্বাচনী ব্যয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। সূত্র জানায়,  ২নং প্রদেশে  নির্বাচনের জন্য ১০০ কোটি রুপি খরচ নির্ধারণ করা হয়েছে।