কাশ্মির প্রশ্নে চীনা প্রস্তাব ভারতের প্রত্যাখ্যান

কাশ্মির প্রশ্নে চীনা প্রস্তাব ভারতের প্রত্যাখ্যান

এসএএম স্টাফ,
শেয়ার করুন

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গোপাল বাগলে জানিয়েছেন, তারা পাকিস্তানের সাথে সংলাপে প্রস্তুত, তবে তা হতে হবে দ্বিপক্ষীয় কাঠামোর মধ্যে। বৃহস্পতিবার এএনআই এ খবর প্রকাশ করে।

পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নে ‘গঠনমূলক ভূমিকা’ পালন করার চীনা প্রস্তাবের প্রেক্ষাপটে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বাগলে এএনআইকে বলেন, আমাদের অবস্থান একেবারে স্পষ্ট। ওই প্রস্তাবে কাশ্মিরকে শান্তি ও স্থিতিশলিতার মূল বিষয় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। আমি যতটুকু জানি, এই বিষয়টির মূলে রয়েছে জম্মু ও কাশ্মিরসহ ভারতে সীমান্তের ওপার থেকে আসা সন্ত্রাস।

তিনি বলেন, আমরা পাকিস্তানের সাথে সংলাপে প্রস্তুত। তবে সেটা হতে হবে দ্বিপক্ষীয় কাঠামোর মধ্যে। ভারত জম্মু ও কাশ্মিরসহ পাকিস্তানের সাথে সব ইস্যুর সমাধান চায়। তবে দ্বিপক্ষীয় কাঠামোর বিষয়টিতে কোনো পরিবর্তন ঘটেনি।

এর আগে বুধবার চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গেঙ শুয়াঙ বলেছিলেন, পাকিস্তান ও ভারত উভয়েই দক্ষিণ এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ দেশ। কাশ্মিরে নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর দুই দেশের মধ্যে সঙ্ঘাতের ফলে দেশ দু’টির নিজস্ব স্থিতিশীলতার জন্য ইতিবাচক হচ্ছে না, আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্যও ভালো হচ্ছে না।

তিনি বলেন, চীন আশা করছে, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য আরো কিছু করা করবে এবং উত্তেজনা বাড়ানো থেকে বিরত থাকবে। পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নে চীন গঠনমূলক ভূমিকা পালনে প্রস্তুত।

ভারত ও চীনের মধ্যে সীমান্ত উত্তেজনা বাড়ার মধ্যেই উভয় পক্ষ এই মন্তব্য করল। সিকিম সীমান্তে ভুটান-ভারত-চীন সীমান্তে ভারত ও চীনা সৈন্যরা এখন মুখোমুখি রয়েছে।

চীন অভিযোগ করেছে, ভারতীয় সৈন্যরা তাদের সীমান্তে অনুপ্রবেশ করেছে। তবে ভুটান ও ভারত বলছে, আলোচ্য ভূখণ্ডটি ভুটানি এলাকা।

ভুটানে সামরিক উপস্থিতি থাকা ভারত বলছে, চীন দোকলাম এলাকায় একটি রাস্তা নির্মাণের উদ্যোগ নিলে তা বন্ধ করতেই তাদের সৈন্যরা চীনা সেনাবাহিনীর মুখোমুখি হয়।

অন্যদিকে চীন অভিযোগ করেছে, সিকিম থেকে ভারতীয় সৈন্যরা সীমান্ত অতিক্রম করে তাদের এলাকায় ঢুকে পড়েছে। এতে করে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জটিল হয়ে পড়েছে।

চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, ভারতীয় প্রহরীরা সীমান্তে চীনা সেনাবাহিনীর স্বাভাবিক কার্যক্রমে বাধা দিচ্ছে। তিনি ভারতকে তার বাহিনী অবলম্বে প্রত্যাহারের আহ্বান জানান।

print
SOURCEডন
শেয়ার করুন