মিয়ানমারে শান্তি আলোচনা : বিদ্রোহী জোটকে ‘না’ সরকারের

মিয়ানমারে শান্তি আলোচনা : বিদ্রোহী জোটকে ‘না’ সরকারের

এসএএম স্টাফ,
শেয়ার করুন

উত্তর-পূর্ব মিয়ানমারের সাতটি জাতিগত সশস্ত্র গ্রুপকে নিয়ে গঠিত একটি জোটকে একক সত্তা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে তাদের সাথে শান্তি আলোচনার ধারণাটি প্রত্যাখ্যান করেছে সরকার। সরকারি শান্তি কমিশন বলেছে, তাদের সাথে কেবল আলাদাভাবেই আলোচনা করতে চায় কমিশন।

সরকারি শান্তি কমিশনের মুখপাত্র উ আঙ সো জোটটি সম্পর্কে বলেন, আমরা উত্তরাঞ্চলীয় গ্রুপগুলোকে গ্রহণ করতে পারি না। আমরা তাদেরকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছি, তাদের যে কোনো গ্রুপের সাথে আমরা যেকোনো সময় আলাদাভাবে আলোচনা করতে রাজি।

ইউনাইটেড ওয়া স্টেট আর্মির (উডব্লিউএসএ) নেতৃত্বাধীন জোটে আরাকান আর্মি (এএ), কাচিন ইন্ডিপেন্ডেন্স আর্মি (কেআইএ), মিয়ানমার ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক অ্যালায়েন্স আর্মি (এমএনডিএএ), তাঙ ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি (টিএনএলএ), শান স্টেট প্রগ্রেসিভ পার্টি (এসএসপিপি), ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স আর্মি (এনডিএএ) রয়েছে। এপ্রিলের তৃতীয় সপ্তাহে জোটটি গঠিত হয়।

জোটটি বলেছে, তারা ফেডারেল পলিটিক্যাল নিগোশিয়েশন অ্যান্ড কনসালটেটিভ কমিটি (এফপিএনসিসি) নামের জোট হিসেবেই সরকারের সাথে আলোচনা করবে।

টিএনএলএ মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাই বোন কিয়া ইরাবতীকে বলেছেন, সরকারের সাথে আলাদা আলাদাভাবে তাদের গ্রুপগুলো আলোচনা করবে কি না তা নিয়ে জোটের বৈঠক হতে পারে।

আঙ সান সু চির ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্র্যাসির (এনএলডি) সরকার প্রতিটি দলের সাথে আলাদাভাবে কিংবা ইউডব্লিউএসএ, এসএসপিপি এবং এনডিএএ’কে একটি গ্রুপ এবং কেআইএ, টিএনএলএ, এমএনডিএএ এবং এএকে আরেকটি গ্রুপ হিসেবে বিবেচনা করে আলোচনা করার প্রস্তাব দিয়েছে। গত জুনে এই প্রস্তাব দেয়া হয়েছে এশিয়াবিষয়ক চীনের বিশেষ দূত সান গুয়াজিংয়াঙের মাধ্যমে। তবে এফপিএনসিসি এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে।

SOURCEদি ইরাবতী
শেয়ার করুন