নেপালে আগামী মাসের নির্বাচন স্থগিত করার ভাবনা সরকারের

নেপালে আগামী মাসের নির্বাচন স্থগিত করার ভাবনা সরকারের

এসএএম রিপোর্ট,
শেয়ার করুন

নেপালে প্রধানমন্ত্রী শের বাহাদুর দেউবার নেতৃত্বাধীন সরকার আগামী মাসে অনুষ্ঠেয় নির্বাচন স্থগিত করার কথা ভাবছে। দেশটিতে রাজনৈতিক দৃশ্যপটে ব্যাপক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে সরকার এই সিদ্ধান্ত হতে যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আগামী ২৬ নভেম্বর ও ৭ ডিসেম্বর এই নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি এখন পুরোদমে চলছে। দুই ধাপে প্রাদেশিক পরিষদ ও পার্লামেন্ট নির্বাচন হওয়ার কথা।

তবে সরকারের সাথে ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, সরকার নির্বাচন স্থগিত করতে চাইছে। দুটি কমিউনিস্ট পার্টি একত্রিত হয়ে নির্বাচনী জোট গড়ে তুলেছে। এতে প্রধানমন্ত্রী আসন হারানোর আশঙ্কা করছেন। এর ফলে তিনি নির্বাচন স্থগিত করার উদ্যোগ নিয়েছেন।

কমিউনিস্ট পার্টি অব নেপাল-ইউনিফায়েড মার্ক্সিস্ট লেনিনিস্ট (সিপিএন-ইউএমএল) এবং মাওয়িস্ট সেন্টার একসাথে নির্বাচন করার কথা ঘোষণা করেছে। মাওয়িস্ট সেন্টার এখন সিপিএন-ইউএমএলের সাথে জোট বাঁধায় প্রধানমন্ত্রী দেউবা তার মন্ত্রিসভা পুনর্গঠন করার পরিকল্পনা করছেন।

তবে দেউবা মন্ত্রিসভার এক সদস্য বলেছেন, নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তান কিংবা মন্ত্রিসভা রদবদলের কোনো ইচ্ছা দেউবা সরকারের নেই।

শ্রম ও চাকরিবিষয়ক মন্ত্রী ফরমুল্লাহ মনসুর ফোনে বার্তা সংস্থাকে বলেন, বর্তমান সরকারই নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছে, প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। নির্বাচন স্থগিত করা এবং মন্ত্রিসভায় রদবদলের কথা সত্য নয়। আমাদেরকে এ ব্যাপারে কিছু বলা হয়নি।

এ দিকে দেউবা সরকারের অর্থমন্ত্রী জ্ঞানেন্দ্র বাহাদুর কারকি রাষ্ট্রপতি বিদ্যা দেবী ভান্ডারির সাথে দেখা করে সরকারের উদ্দেশ্য নিয়ে আলোচনা করেছেন।

সরকার চাচ্ছে হিমালয়ের পাদদেশের দেশটির ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনা করে নির্বাচন কয়েক মাস পিছিয়ে জুনে বা জুলাইয়ে আয়োজন করতে।

তবে নির্বাচনী-প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি না করার জন্য আহ্বান জানিয়েছে দেশটির নির্বাচন কমিশন।

আসন্ন নির্বাচন দেশটিতে স্থিতিশীলতা বয়ে আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।

print
SOURCEএএনআই
শেয়ার করুন