সম্পর্ক অবনতি চেষ্টার ব্যাপারে শ্রীলংকাকে সতর্ক করলো চীন

সম্পর্ক অবনতি চেষ্টার ব্যাপারে শ্রীলংকাকে সতর্ক করলো চীন

এসএএম রিপোর্ট,
শেয়ার করুন

দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক অবনতির চেষ্টার ব্যাপারে শ্রীলংকাকে সতর্ক করেছে চীন।

শ্রীলংকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত চেং শিউইউয়ান বলেছেন যে, এ ধরনের ভিত্তিহীন দাবি করা হচ্ছে যে, হামবানতোতা বন্দর সামরিক কাজে ব্যবহার করা হতে পারে।

কলম্বোর চীন দূতাবাস থেকে রাষ্ট্রদূতের বরাত দিয়ে বলা হয়, “চীন ও শ্রীলংকার এ ধরনের গুজবের ব্যাপারে সতর্ক থাকা উচিত। এবং চীন-লংকা সম্পর্ক ও সহযোগিতা যাতে ক্ষতিগ্রস্থ ও ব্যাহত না হয় সে জন্য যোগাযোগ ও সহযোগিতা আরও জোরদার করা উচিত।”

প্রধানমন্ত্রী রানিল বিক্রমসিঙ্গে এবং নৌবাহিনীর কমান্ডার ভাইস অ্যাডমিরাল সিরিমেভান রানাসিঙ্গের সাথে আলাদা বৈঠকে এ মতামত তুলে ধরেন চীনা রাষ্ট্রদূত।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে রাষ্ট্রদূত চেং বলেন যে, শ্রীলংকার সাথে সম্পর্ককে বিশেষ গুরুত্ব দেয় চীন। এবং বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (বিআরআই) ফ্রেমওয়ার্কের অধীনে যে সব বিষয়ে দুই দেশের নেতারা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন, সেগুলো বাস্তবায়নের ব্যাপারে আশাবাদী চীন।

বিক্রমাসিঙ্গেকে উদ্ধৃত করে চীনা দূতাবাস থেকে বলা হয়েছে যে হামবানতোতা বন্দরের নিরাপত্তার একক দায়িত্ব পালন করছে শ্রীলংকার নৌবাহিনী এবং এখানে চীনা সামরিক তৎপরতা শুরু হতে পারে – এ ধরনের উদ্বেগের কোন কারণ নেই।

অন্যদিকে, নৌবাহিনীর কমান্ডার জোর দিয়ে বলেছেন যে প্রথম দিন থেকে হামবানতোতা বন্দরের পরিচালনা কার্যক্রমের দায়িত্ব চায়না-শ্রীলংকা যৌথ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বন্দরকে একমাত্র বাণিজ্যেক কার্যক্রমে ব্যাবহার করা হবে বলে সুনির্দিষ্টভাবে বলা রয়েছে।

তিনি বলেন যে, সম্প্রতি জাপন ম্যারিটাইম সেল্ফ-ডিফেন্স ফোর্সের একটি যুদ্ধ জাহাজ তাদের সরবরাহ নেয়ার জন্য হামবানতোতা বন্দরে নোঙর করেছিল। এতে বোঝা যায় বন্দরের বাণিজ্যিক কার্যক্রম কতটা স্বচ্ছ এবং খোলামেলা।

চীনা দূতাবাস বলেছে যে, কিছু বিদেশী মিডিয়া তাদের গোপন স্বার্থসিদ্ধির জন্য দায়িত্বজ্ঞানহীনভাবে হামবানতোতা বন্দরকে সামরিকায়নের মিথ্যা গুজব রটাচ্ছে।

দূতাবাস বলেছে যে, সময়ের প্রমাণিত হবে যে হামবানতোতা বন্দর একটা সম্ভাবনাময় এবং উজ্জ্বল বাণিজ্যিক ভবিষ্যতের জন্যই তৈরি হয়েছে।

print