চাল উৎপাদনে ৪৭% স্বনির্ভর ভুটান

চাল উৎপাদনে ৪৭% স্বনির্ভর ভুটান

এসএএম স্টাফ,
শেয়ার করুন

উৎপাদনের নিম্ন ভিত্তিকে ভুটানের অন্যতম সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন বাজো কৃষি গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্রের বিশেষজ্ঞ মহেষ ঘিমেরি। তিনি বলেন, আমাদের প্রচুর বনভূমি রয়েছে এবং বন্যপ্রাণী ফসল ধ্বংস করছে।

ঘিমেরির মতে ধান উৎপাদনে আরেকটি চ্যালেঞ্জ হলো অপর্যাপ্ত প্রণোদনা কারণ চাল উৎপাদনের চেয়ে কেনা সস্তা। জলাভূমিকে অন্যভূমিতে রূপান্তর ও নগরায়ণ ভুটানের জন্য উদীয়মান চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

ভুটানিদের দৈনন্দিন খাদ্য তালকার ৫৩% চাল। দেশটির ৫৩,০৫৫ একর জমিতে ধান চাষ হয় এবং একরপ্রতি গড় উৎপাদন ১.৬৮ মে.টন।

শুধু ভুটান একা নয়। এই বিশেষজ্ঞের মতে, সময় মতো ব্যবস্থা না নেয়া হলে গোটা দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চল চালের সংকটে পড়বে।

আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইন্সটিটউট (ইরি) এবং বাংলাদেশ, ভুটান ও নেপালের বিশেষজ্ঞরা ইংগিত দিয়েছেন যে ধান উৎপাদন জোরদার না হলে তা শুধু দক্ষিণ এশিয়া নয় গোটা বিশ্বের খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

উল্লেখিত তিন দেশের অংশগ্রহণে একটি প্রকল্পের আওতায় দানাদার শষ্যের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটানোর উপায় নিয়ে আলোচনার জন্য ভুটানের রাজধানী থিম্ফুতে মিলিত হন বিশেষজ্ঞরা।

কৃষি বিশেষজ্ঞ তায়ান আর গুরুং বলেন, এই অঞ্চলে বিশ্বের ৩১% চাল ও ১৮% গম উৎপাদিত হয়। আঞ্চলিক খাদ্য নিরাপত্তায় চাল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শষ্য।

তিনি বলেন, বিশ্বের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং চালের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে ২০৩৫ সালের মধ্যে ধানের উৎপাদন ২৬% বাড়াতে হবে।

জাতিসংঘ ও আইএফপিআরআই’র ভবিষ্যদ্বাণীতে বলা হয়, ২০৫০ সাল নাগাদ বিশ্বের ২-২.৮ বিলিয়ন জনসংখ্যার জন্য খাদ্য উৎপাদন বর্তমানের দ্বিগুণ করতে হবে।

print
SOURCEকুয়েনসেল
শেয়ার করুন