মিয়ানমারে ঔপনিবেশিক আমলের ভবন পুন:নির্মাণে ধনকুবেরকে সেনাবাহিনীর নির্দেশ

মিয়ানমারে ঔপনিবেশিক আমলের ভবন পুন:নির্মাণে ধনকুবেরকে সেনাবাহিনীর নির্দেশ

এসএএম স্টাফ,
শেয়ার করুন
ঐতিহ্য আইনের আওতায় সংরক্ষণ করার নিয়ম থাকলেও চলতি বছরের গোড়ার দিকে এই ঔপনিবেশিক আমলের মেয়রের বাসভবনটি ভেঙ্গে ফেলা হয়

পাঁচশ’ মিলিয়ন ডলারের বহুতল ভবন নির্মাণের জন্য মিয়ানমারের একজন খ্যাতনামা ব্যবসায়ীর কোম্পানি ইয়াংগুনের বাহান টাউনশিপে একটি হেরিটেজ সাইট বিনষ্ট করলে তা পুন:নির্মাণের নির্দেশ দিয়েছে সেনাবাহিনী।

মিয়ানমারের বৃহৎ নির্মাণ কোম্পানিগুলোর একটি জায়েকাবার। এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খিন শোয়ে দেশটির অন্যতম ধনাঢ্য ব্যক্তি। এক সময় ইয়াংগুনের মেয়রের বাসভবন হিসেবে ব্যবহৃত ঔপনিবেশিক আমলের গুড়িয়ে ফেলা ভবনটিকে মূল আদলে পুন:নির্মাণ করতে হবে। এই স্থানটি ছিলো সামরিক বাহিনীর। কিন্তু কিভাবে জায়েকাবার এই ভবন ও জায়গার মালিকানা পেলো তা পরিষ্কার নয়।

ইয়াংগুন হেরিটেজ ট্রাস্ট জানায়, ব্রিটিশ আমলে ৫.২৫ হেক্টরের প্লটটি মাউন্ট প্লিজেন্ট নামে পরিচিত ছিলো। মেয়রের বাসভবন ছাড়াও চার্টার্ড ব্যাংকের ম্যানেজারের বাসভবনও ছিলো সেখানে। একটি  অতিথিশালা অক্ষত থাকলেও মূল ভবন গুড়িয়ে ফেলা হয়েছে।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ভবনটি গুড়িয়ে ফেলা হলেও তা ২০১৫ সালের ঐতিহ্য আইন অনুযায়ী সংরক্ষণ করার কথা ছিলো।

সেনাবাহিনীর সঙ্গে খিন শোয়ের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে বলে জানা যায়। ১৯৯৭ সালে তিনি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বেইন এন্ড এসোসিয়েটস’কে দায়িত্ব দেন মিয়ানমারের পক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গণসংযোগ করার জন্য। তৎকালীণ সেনা সরকার এই কোম্পানিকে ভাড়া না করলেও এর অগ্রগতির রিপোর্ট নিয়মিত ওয়াশিংটনে মিয়ানমার দূতাবাসে পাঠানো হতো। যুক্তরাষ্ট্র যেন বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয় সে প্রচেষ্টা চালানো হয় গণসংযোগের মাধ্যমে।

print
SOURCEএশিয়া টাইমস
শেয়ার করুন