দোকলামে সেনা বাড়ানোর জন্য ভুটানকে উদ্বুদ্ধ করার পক্ষে ভারতের সংসদীয় প্যানেল

দোকলামে সেনা বাড়ানোর জন্য ভুটানকে উদ্বুদ্ধ করার পক্ষে ভারতের সংসদীয় প্যানেল

এসএএম স্টাফ,
শেয়ার করুন

সিকিম সীমান্তের কাছে নর্দার্ন দোকলাম এলাকায় চীনা তৎপরতা প্রতিহত করতে সেখানে সেনা উপস্থিতি বাড়ানোর জন্য ভুটানকে ভারতের উদ্বুদ্ধ করা উচিত। ভারতের একটি সংসদীয় প্যানেল তাদের রিপোর্টে এই প্রস্তাব দিয়েছে।

কংগ্রেস এমপি শশি থারুরের নেতৃত্বাধীন পররাষ্ট্র বিষয়ক পার্লামেন্টারি প্যানেল মনে করে যে নর্দার্ন দোকলামে সেনা সংখ্যা বাড়ানোটা ভারতের কৌশলগত স্বার্থ রক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

খসড়া রিপোর্টটি ৬ আগস্ট প্যানেলের সদস্যদের মধ্যে বিতরণ করা হয়। তবে এতে স্পষ্ট করা হয়নি যে, কমিটি দোকলামে ভারতীয় সেনা বৃদ্ধি করার পক্ষে কি না।

গত বছর ১৬ জুন থেকে দোকলাম এলাকায় মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছিল ভারত ও চীনের সেনাবাহিনী। বিতর্কিত ওই এলাকায় চীনা সেনাবাহিনী সড়ক নির্মাণের চেষ্টা করার পর সেখানে ভারতের সেনাবাহিনী বাধা দিলে ওই অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়।

দোকলামের মালিকানা নিয়ে ভুটান ও চীনের মধ্যে দ্বন্দ্ব রয়েছে। উভয় দেশই এই অঞ্চলকে নিজেদের দাবি করে আসছে।

প্যানেল আরও জানায় যে, দোকলাম এলাকা নিয়ে ভারতের আরও সতর্ক ও সজাগ থাকা দরকার যদিও শান্তিপূর্ণভাবে দুই দেশের মধ্যকার বিরোধের ইতি ঘটেছে।

এটা স্পষ্ট যে, চীনের পিপলস লিবারেশান আর্মি (পিএলএ) দোকলাম এলাকায় ভুটানের সেনা উপস্থিতি না থাকার সুযোগ নিয়েছে।

কমিটি তাই নর্দার্ন দোকলাম এলাকায় আরও বেশি সংখ্যক সেনা মোতায়েনের সুপারিশ করেছে। এতে বলা হয়েছে, ভারতের উচিত ভুটানকে সেখানে সেনা মোতায়েন করতে উদ্বুদ্ধ করা, যাতে ত্রিদেশীয় এই সংযোগ পয়েন্টে চীনা বাহিনীর তৎপরতা বন্ধ করা যায়।

কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট রাহুল গান্ধীও ৩১ সদস্যের এই প্যানেলের একজন। প্যানেলে অবশ্য বিজেপি সদস্যরাই সংখ্যাগরিষ্ঠ।

কমিটির কিছু সদস্য বাস্তব পরিস্থিতি দেখার জন্য সিকিম ও অরুণাচল প্রদেশ সফর করেছেন এবং সেখানকার কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলেছেন।

দোকলামের পরিস্থিতি নিয়ে সাবেক পররাষ্ট্র সচিব এস জয়শঙ্কর এবং তার উত্তরসূরী বিজয় গোখলে প্যানেলকে বেশ কয়েকবার ব্রিফ করেছেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা প্যানেলকে জানিয়েছেন যে, ভুটান এই ইস্যুতে দৃঢ়ভাবে ভারতের সাথে রয়েছে।

আলোচনায় তারা বলেন, গান্ধী পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের চীনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে প্রশ্ন করেন এবং জানতে চান বেইজিং কেন দোকলাম নিয়ে একটা সঙ্ঘাতের দিকে যেতে চেয়েছিল।

print
SOURCEজি নিউজ
শেয়ার করুন