ভরতপুর-১৯ এ পুনরায় ভোটগ্রহণঃ ইসি সিদ্ধান্তে সুপ্রিম কোর্টের স্থগিতাদেশ

ভরতপুর-১৯ এ পুনরায় ভোটগ্রহণঃ ইসি সিদ্ধান্তে সুপ্রিম কোর্টের স্থগিতাদেশ

এসএএম স্টাফ,
শেয়ার করুন

ভরতপুর মেট্রোপলিটন সিটির ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের পুনর্নির্বাচনের ব্যাপারে শনিবারে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নেয়া সিদ্ধান্তে স্থগিতাদেশ দিয়েছে নেপাল সুপ্রিম কোর্ট (এসসি)। আদালত রোববার পর্যন্ত স্থিতাবস্থা বজায় রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে। বিচারপতি চোলেন্দ্র শুমশের রানার একটি একক বেঞ্চ ভরতপুর ১৯-এর জন্য ওয়ার্ড সদস্য প্রার্থী বিকে গুঞ্জামান ও আইনজীবী তসলিম পান্ডের দায়েরকৃত রিটের শুনানি শেষে ইসি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে একটি অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ জারি করে। সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র মাহেন্দ্র উপাধ্যায় জানান,  বেঞ্চটি রোববার আদালতে হাজির হওয়ার জন্য উভয় আবেদনকারী ও বিবাদীকে নির্দেশ দেয়।

প্রধান নির্বাচন কর্মকর্তা চিতওয়ানের রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে শনিবার নির্বাচন কমিশন ভরতপুর মেট্রোপলিটান শহরের ওয়ার্ড ১৯-এ পুনরায় ভোটগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়। ২৮ মে রাতে ব্যালট পেপার ছিঁড়ে ফেলার ঘটনার পর উদ্ভুত পরিস্থিতি যাচাইয়ের দায়িত্বে ছিলেন চিতওয়ান। তার রিপোর্টে বলা হয় যে, ভোট কেন্দ্র অবৈধভাবে একটি বিশেষ দলের প্রতিনিধি দখল করে ফেলেছিল। সিপিএন (মাওবাদী সেন্টার)এর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ আনা হয়।  ২৮শে মে রাত ১১.৪৫ টায় প্রাথমিক ভোট গণনায় ভরতপুরের মেয়র পদে সিপিএন-ইউএমএল এর প্রার্থী দেবী গৈবলি মাওবাদী কেন্দ্রের প্রার্থী রেণু দাহালের চেয়ে এগিয়ে গেলে মাওবাদী কেন্দ্রের কিছু লোক ব্যালট পেপার নষ্ট করে বলে অভিযোগ আনা হয়। রেণু প্রধানমন্ত্রী পুষ্প কমল দাহালের মেয়ে।

তারপর থেকে ইউএমএল পুনরায় ভোট গণনা শুরু করার দাবি জানায় এবং মাওবাদী কেন্দ্র ও নেপালি কংগ্রেস, যেটি একটি নির্বাচনী জোট গঠন করেছিল তারা পুনরায় নির্বাচনের আহ্বান জানায়। ভরতপুর-১৯ এ পুনরায় ভোটগ্রহণ সিদ্ধান্তের এক দিন পরে বি কে এবং পান্ডে রোববার সুপ্রিম কোর্টে হাজির হয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত বাতিল এবং ভোট গণনা পুনরায় শুরু করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দানের আবেদন জানান। আবেদনকারীরা তাদের পিটিশনে দাবী করেন যে ভোটের কেন্দ্র দখল হয়েছে ভেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যা সঠিক নয়। পুনরায় নির্বাচনের আহ্বান জানানোর সিদ্ধান্তটি পুরোপুরি অযৌক্তিক  ছিল।

print